প্রকাশিত: ১৮/১১/২০১৬ ৮:৩৬ পিএম , আপডেট: ১৮/১১/২০১৬ ৮:৩৭ পিএম

screenshot_1ফারুক আহমদ, উখিয়া:;
উখিয়ার পালংখালীর আব্দুল লতিফ ওয়াকফ এস্টেটে তথাকথিত মতোয়াল্লালী দাবীদার সোহেল মোস্তফা চৌধুরীকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে শত শত ভূমিহীন নারী পুরুষ ও চাষীরা প্রতিবাদ বিক্ষোভসহ কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা বিক্ষোভ প্রদর্শন কালে বক্তারা ক্ষমতালোভী ও কৃষক নির্যাতন কারী হিসেবে চিহ্নিত সোহেলকে মতোয়াল্লী হিসেবে মেনে নেবে না বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন। তাকে ওয়াকফ এস্টেট থেকে প্রতিহত করার ঘোষনা দেন। বর্তমানে এঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে।

গ্রাম বাসীরা জানান, উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমান পাড়া মরহুম মৌলভী আব্দুল লতিফ ওয়াকফ এস্টেট এর বৈধ মতোয়াল্লী হিসেবে ২০১১ সাল থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত লতিফ আনোয়ার চৌধুরী প্রকাশ খোকা মিয়া দায়িত্ব পালন করে আসছে। অভিযোগে প্রকাশ হঠাৎ করে উক্ত ওয়াকফ এস্টেটের মতোয়াল্লী দাবী করে সোহেল মোস্তফা চৌধুরী নামক এক ব্যাক্তি অপতৎপরতা শুরু করে। ক্ষমতাসীন দলের কিছু ব্যক্তির বিশেষ প্ররোচনায় তিনি ওয়াকফ এস্টেট জবর দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। এমন কি ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী চিহ্নিত ক্যাডার বাহিনী নিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের জন্য মহড়া দিলে গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ ও চাষীরা বিক্ষোভে ফেঁটে পড়ে। বিক্ষোবদ্ধ এলাকাবাসী তথাকথিত মতোয়াল্লী সোহেলকে প্রতিহত করার বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষনা দেন। বিক্ষোভ প্রদর্শন শেষে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শাহাদত হোসেন জুয়েল, মেম্বার সুলতান আহমদ, আবু তাহের, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি জামাল হোসেন, ছৈয়দ নুর, যুবলীগ নেতা শাহ জাহান, কৃষক ছৈয়দ হোসন, মকবুল আহমদ প্রমুখ।

গতকাল শুক্রবার কথিত মতোয়াল্লী সোহেলকে অবাঞ্চিত ঘোষনাসহ বিক্ষোভ প্রদর্শন আনজুমান পাড়া ওয়াকফ এস্টেট অফিস সংলগ্ন অনুষ্টিত হয়েছে। বিক্ষোভ প্রদর্শন কালে প্রজা, কৃষক, বর্গা চাষী ও স্থানীয় চিংড়ি চাষীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বিতর্কিত মতোয়াল্লী সোহেলের কুশপুত্তলিকায় আগুন ধরিয়ে দেয়। বর্তমানে এঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় মেম্বার সুলতান আহমদ বলেন, মরহুম মৌলভী আব্দুল লতিফ ওয়াকফ এস্টেটের মতোয়াল্লী লতিফ আনোয়ার চৌধুরী প্রকাশ খোকা মিয়া একজন সৎ, আদর্শবান, দানশীল ও গরীব দরদী ব্যক্তি হিসেবে পালংখালীর আনজুমান পাড়ার, বটতলী, ফারির বিল গ্রামের মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে খ্যাত আছে। তার বিরুদ্ধে একটি মহল ওয়াকফ এস্টেটে জায়গা ভোগদখল করার জন্য সোহেল নামে ব্যক্তিকে লেলিয়ে দিয়েছে। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আবু তাহের জানান, প্রায় ১ হাজার একর জায়গা বিশিষ্ট এ ওয়াকফ এস্টেটকে গিরে প্রায় ৯শত গরীব পরিবার চাষাবাদ ও চিংড়ি চাষ করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

পাঠকের মতামত

জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে সুযোগ পেলেন কক্সবাজারের ইয়াশনা

​চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী ইয়াশনা ইকতার জাপানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ...

বিলাসবহুল গাড়ি, তরুণ সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে বিস্তৃত ইয়াবা নেটওয়ার্ক

কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার, কখনো সুন্দরী নারী, কখনো পেটের ভেতর, কখনো শরীরের বিভিন্ন অংশে, আবার কখনো ...

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...
Single Page Footer